চীন আসলে কী করছে, বাংলাদেশ কী করতে পারে

আশফাক রনি

গত এক দশক ধরে চীন অর্থনৈতিক কূটনীতির মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়াতে দৃঢ় অবস্থান তৈরি করেছে। ভারত, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে অন্তর্ভুক্ত করে দুই হাজার ৮০০ কিলোমিটার ইকোনমিক করিডর উন্নয়ন। মিয়ানমারে ইকোনমিক জোন, গভীর সমুদ্র বন্দর ও জ্বালানি পাইপলাইন নির্মাণ। পাকিস্তানে ৫৪ বিলিয়ন ডলারের ইকোনমিক করিডর উন্নয়ন। আফগানিস্তানকে ৩২০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা ও তামা খনি উন্নয়নে ৩.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ। শ্রীলঙ্কায় গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ। ভারতের বলয়ে থাকা রাষ্ট্র নেপাল, ভুটান ও মালদ্বীপের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও সামরিক সম্পর্ক উন্নয়নসহ পুরো ভারত মহাসাগর অঞ্চলে ব্যাপক কার্যক্রম চালাচ্ছে। আপাত দৃষ্টিতে কার্যক্রমগুলো অর্থনৈতিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট মনে হলেও চীন দীর্ঘমেয়াদি ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে এ অঞ্চলে অগ্রসর হচ্ছে।

দক্ষিণ এশিয়ার ব্যাপারে চীনের আগ্রহের কারণ প্রথমত, অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে চীনের বাধাহীন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। দেশটি বর্তমানে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন গড়ে সাত মিলিয়ন ব্যারেল তেল আমদানি করে যার ৮০ শতাংশ দক্ষিণ চীন সাগর ও মালাক্কা প্রণালির মধ্য দিয়ে পরিবাহিত হয়। তা ছাড়া চীন প্রতি বছর আনুমানিক দুই ট্রিলিয়ন ডলারের পণ্য এই রুটে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে রপ্তানি করে।

ঐতিহাসিকভাবে সাগর পথের এই রুট চীনের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। চীন মনে করে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার আঞ্চলিক মিত্ররা বৈরী সময়ে মালাক্কা প্রণালির জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে তার জ্বালানি সরবরাহ ও রপ্তানি বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত করবে। এই ঝুঁকি লাঘবে চীনের বিকল্প স্থল ও নৌপথ প্রয়োজন। ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনা করে চীন দক্ষিণ এশিয়ায় সমুদ্র বন্দর ও ইকোনমিক করিডরের মাধ্যমে মালাক্কা প্রণালি পর নির্ভরতা কামাতে চায়।

দ্বিতীয়ত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ অর্থনীতির কথা চিন্তা করে চীন ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’ নামের একটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশটি ইউরোপ, আফ্রিকা, এশিয়ার সঙ্গে সড়ক ও সমুদ্র পথে যুক্ত হবে। দক্ষিণ এশিয়ার কার্যক্রমগুলো মূলত এই মেগা প্রকল্পের অংশ। সার্ক অঞ্চলে নির্মিতব্য ও প্রস্তাবিত ইকোনমিক করিডরের মাধ্যমে চীনের পশ্চিমাঞ্চলের প্রদেশগুলোতে শিল্পায়ন ও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে চায়। চীন মনে করে দক্ষিণ এশিয়ার বিশাল বাজার ও বন্দর সুবিধা ইউনান ও শিনজিয়াং প্রদেশের শিল্প বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।

তৃতীয়ত, চীনের বর্তমান ইকোনমিক ওভার ক্যাপাসিটি ( চাহিদা অতিরিক্ত উৎপাদন) লাঘবের জন্য নতুন বাজার প্রয়োজন। বিশ্ব ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ার অবকাঠামো উন্নয়নে ২০২০ সালের মধ্যে ২.৩ ট্রিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন। এ অঞ্চলের বিরাট জনসংখ্যার বিশাল বাজার, অনুন্নত অবকাঠামো উন্নয়নের সুযোগ ও শিল্পায়নের সম্ভাবনা চীনের ওভার ক্যাপাসিটি লাঘবে সাহায্য করতে পারে।

চতুর্থত, ভারত মহাসাগর অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি চীনের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য ও নিরাপত্তার জন্য চরম হুমকি। এই হুমকি মোকাবিলায় ভারত মহাসাগর, আরব সাগর ও সার্ক অঞ্চলে পাল্টা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রয়োজন। ভারত মহাসাগর ও আরব সাগরের নৌশক্তি বৃদ্ধির জন্য মিয়ানমার, বাংলাদেশ, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের গভীর সমুদ্রবন্দরগুলো চীনের জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।

দক্ষিণ এশিয়ার প্রকল্পগুলো চীনকে যেভাবে সাহায্য করবে

প্রথমেই বাংলাদেশ-চায়না- মিয়ানমার-ইন্ডিয়া ইকোনমিক করিডরের ব্যাপারে আলোচনা করা যাক। প্রস্তাবিত প্রকল্পটি চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিং থেকে শুরু হয়ে বাংলাদেশ, মিয়ানমার অতিক্রম করে কোলকাতায় শেষ হবে। ২৮০০ কিলোমিটার সংযোগ সড়কটি বাংলাদেশের বেনাপোল, ঢাকা, সিলেট, ভারতের শিলাচর, ইম্পাল, মিয়ানমারের তামু, কেলওয়া, মানডালেই, মনওয়া, চীনের রুইলি, ডালি ও কুনমিং শহরকে সংযুক্ত করবে। এ অঞ্চল আয়তনে আনুমানিক ১৬৫ হাজার বর্গকিলোমিটার আর জনবসতি ৪৪ কোটির কাছাকাছি। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে চীন এই বৃহৎ বাজারের সুবিধা পাবে।

অন্যদিকে চীন-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডর শিনজিয়াং প্রদেশের কাশগার শহর থেকে শুরু হয়ে পাকিস্তানের ইসলামাবাদ, লাহোর ছুঁয়ে বেলুচিস্তানের বন্দর নগরী গদরে শেষ হবে। এই করিডরটিতে গভীর সমুদ্র বন্দর, সড়কপথ, রেইলপথ ও জ্বালানি পরিবহনের জন্য পাইপলাইন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। চীন এই করিডরের মাধ্যমে বেশ কয়েকটি সুবিধা আদায় করবে। যেমন :

  • গদর- কাশগর পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রতিদিন এক মিলিয়ন ব্যারেল জ্বালানি তেল পরিবাহিত হবে যা মালাক্কা প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমাবে।
  • শিনজীয়ান প্রদেশের শিল্পায়নে সহায়তা করবে।
  • কাশগর অঞ্চলের বিদ্রোহ দমনে সাহায্য করবে।
  • গদর বন্দরে স্থাপিত নেইভাল বেইসের মাধ্যমে আরব সাগর ও হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করতে পারবে।

পাকিস্তানও এই করিডরের সুবাদে তার আভ্যন্তরীণ অবকাঠামো উন্নয়ন করে অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে। ধারণা করা হচ্ছে, এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ৭০ হাজার নতুন কর্মের সংস্থান হবে এবং অতিরিক্ত ২-৩% জিডিপি বৃদ্ধি পাবে। তা ছাড়া বেলুচিস্তানের বিদ্রোহ প্রশমনে এই করিডরটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে। এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে ভারতের চিরশত্রু পাকিস্তান অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলে চীন কৌশগত সুবিধা ভোগ করবে।

শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে গভীর সমুদ্র বন্দরগুলোও চীনকে অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে সাহায্য করবে। কুনমিং শহর থেকে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের বন্দরগুলোর গড় দূরত্ব ১৫০০ কিলোমিটার। ইউনান প্রদেশের নতুন শিল্পাঞ্চলগুলো এই বন্দর সুবিধা ব্যবহার করে পণ্য আমদানি-রপ্তানির সুযোগ পাবে।

তা ছাড়া ৭৭১ কিলোমিটার লম্বা সিনো- মিয়ানমার পাইপলাইনের মাধ্যমে বছরে ৮৪ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ও ১২ বিলিয়ন কিউবিক মিটার গ্যাস পরিবাহিত হবে যা মালাক্কা প্রণালির পর নির্ভরতা কমাতে সাহায্য করবে।

শ্রীলঙ্কার হামবানতুতা বন্দরটিও চীন তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সাজিয়েছে। বিশাল স্টোরেজ সুবিধা, রিফিউলিং সুবিধা ছাড়া এই বন্দরে মাদার ভ্যাসেল নোঙ্গরে সুবিধা রয়েছে। এই বন্দরটি সিংগাপুর ও থাইল্যান্ডের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সামরিক ও নিরাপত্তার গুরুত্ব বিবেচনায়ও দক্ষিণ এশিয়ার এই বন্দরগুলো চীনকে কৌশলগত সুবিধা দেবে। মিয়ানমারের সিতওয়া বন্দর, চট্রগ্রাম বন্দর, শ্রীলঙ্কার হামবানতুতা ও মালদ্বীপের মারওয়া বন্দরের মাধ্যমে চীন বঙ্গোপসাগরসহ পুরো ভারত মহাসাগর অঞ্চলে নজরদারি বাড়াতে পারবে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে দক্ষিণ এশিয়ার এই বন্দরগুলোর মাধ্যমে চীন তার ‘স্ট্রিং অব পার্লস’ কৌশল বাস্তবায়ন করছে যা ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের নৌ শক্তির কাউন্টার হিসেবে কাজ করবে। অন্যদিকে নেপালের আরানিকো মহাসড়ক (সিনো-নেপাল মৈত্রী সড়ক) উন্নয়নের মাধ্যমে চীন বাণিজ্য বাড়ানোর কথা বললে সামরিক গুরুত্ব বিবেচনায় এই সড়কটি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। কেননা এই সড়ক দিয়ে চীন কয়েকঘণ্টার ব্যবধানে ভারতের সীমান্তে সৈন্য সমাবেশ ঘটতে সক্ষম।

ভারতের প্রতিক্রিয়া

চীনের কার্যক্রমগুলো ভারত বেশ গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ করছে। প্রস্তাবিত বিসিএমআই (বাংলাদেশ- চায়না-মিয়ানমার- ইন্ডিয়া) ইকোনমিক করিডরের ব্যাপারে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার আগ্রহী হলেও ভারত এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। চীন-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডরের ব্যাপারে ভারত বেশ জোরালোভাবে আপত্তি জানিয়েছে। ২০১৫ সালের চীন সফরে নরেন্দ্র মোদি এই করিডর ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে চীনের প্রেসিডেন্টের কাছে ভারতের আপত্তি তুলে ধরেন। বিশেষ করে জুম্মু কাশ্মীর অঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়নকে ভারত ভালো চোখে দেখছে না।

বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের বাণিজ্যিক সম্পর্কের ব্যাপারে ভারতের আপত্তি না থাকলে সামরিক সহায়তা, চট্টগ্রাম বন্দরের কাছে মিসাইল লাঞ্চ প্যাড নির্মাণ ও সাবমেরিন ক্রয়কে সন্দেহের চোখে দেখছে। অন্যদিকে, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপে চীনের বিপুল বিনিয়োগ দেশগুলোকে ভারতের বলয় থেকে বের করে আনছে। সম্প্রতি চীন নেপালে ৮ বিলিয়ন ডলার নতুন বিনিয়োগ ও ৩ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে। স্বাভাবিকভাবে ভারত মনে করছে, চীন ধীরে ধীরে দেশটিকে ঘিরে ফেলছে।

পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ভারত তার পররাষ্ট্র নীতিতে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পিভি নরসীমা রাওয়ের প্রণীত ‘লুক ইস্ট’ রণকৌশলিক নীতি সংস্কার করে ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতি গ্রহণ করেছে। এই নীতির মাধ্যমে ভারত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সামরিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করছে। বিশেষ করে জাপানের সঙ্গে ভারতের নতুন সামরিক, অর্থনৈতিক ও পারমাণবিক সহযোগিতার ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক চুক্তি চীনের জন্য চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

অন্যদিকে ভিয়েতনাম ও মঙ্গোলিয়ার সঙ্গে ভারত অর্থনৈতিক ও সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করেছে। বিশেষ করে ভিয়েতনামের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা চুক্তির মাধ্যমে পোর্ট অব কল সুবিধা ভারতকে দক্ষিণ চীন সাগরে কৌশলগত সুবিধা দিচ্ছে। মালদ্বীপ ও আন্দামান দ্বীপেও ভারত তার সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে।

বাংলাদেশ যেসব সুবিধা আদায় করতে পারে

দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের বিশাল কর্মযজ্ঞ ও ভারতের সঙ্গে প্রতিযোগিতা বাংলাদেশের জন্য অসাধারণ সুযোগ সৃষ্টি করেছে। গত বছরের অক্টোবর থেকে এ বছরের এপ্রিল পর্যন্ত চীন বাংলাদেশের সঙ্গে ৪০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ চুক্তি করেছে। বিশ্বব্যংকের এক হিসাব অনুযায়ী ২০২০ সাল নাগাদ বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে ৭৪-১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন।চীন-ভারতের প্রতিযোগিতার সুযোগকে ব্যবহার করে বাংলাদের সুবিধাজনক মূল্যে তার প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে পারে।

বিসিএমআই ইকোনমিক কৌরিডরও বাংলাদেশের জন্য বিশাল সুযোগ সৃষ্টি করেছে। করিডোরটি বাস্তবায়িত হলে মিয়ানমার ও ইউনান প্রদেশের বিশাল বাজার বাংলাদেশের শিল্প বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। তাছাড়া চীন “মেইড ইন চায়না ২০২৫” উদ্যোগের মাধ্যমে তার বর্তমান হালকা শিল্পকে ভারী শিল্পে রূপান্তরিত করার উদ্যোগ নিয়েছে। স্বাভাবিকভাবে চীনের বিশাল হালকা শিল্প পাশের দেশগুলোতে স্থানান্তরিত হবে। অবকাঠামো, মজুরি ও বিশাল জনশক্তি বিবেচনায় বাংলাদেশ হালকা শিল্পের কেন্দ্রস্থল হতে পারে।

পরাশক্তিগুলোর প্রতিযোগিতা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জন্য যেভাবে সুযোগ বয়ে আনবে ঠিক একিভাবে ঝুঁকিও বয়ে আনতে পারে। কেননা ভুরাজনীতি ও সামরিক সমীকরণ মেলাতে পরাশক্তি দেশগুলো সফট পাওয়ারের পাশাপাশি হার্ড পাওয়ারও ব্যবহার করতে পারে। যেমনটি হয়েছে ইউক্রেইন ও সিরিয়াতে। এখন দেখার বিষয় সার্কভুক্ত দেশগুলো চীন-ভারতের এই প্রতিযোগিতাকে কীভাবে ব্যবহার করবে।

Ashfaque Ronnie

আশফাক রনি

পেশায় বিনিয়োগ বিশ্লেষক। পড়াশোনা গ্লোবাল ফাইনান্সে আর গবেষণার বিষয় মুদ্রা নীতি।

সম্পাদক: আবু মুস্তাফিজ

৩/১৯, ব্লক-বি, হুমায়ুন রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা