ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ এই ভিডিও গুলা কি দেখছেন?

মুনশি বিশ্বজিৎ

একজন মানুষকে শারীরিক ভাবে নিগৃহীত করার যে ক্রিমিনাল অফেন্স, এই শাস্তিযোগ্য অপরাধের প্রত্যক্ষ প্রমান সবার চোখের সামনে ঘুরতেছে। একটা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালায়া তছনছ করার চাক্ষুশ প্রমান এই ভিডিওগুলা। তান্ডব আর পেশী শক্তি দিয়া ঘটনার নিয়ন্ত্রন হাতে নেওয়ার এই সংস্কৃতি নিয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য  কি ? বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ছাত্রী আফিয়া জাহিন চৈতীর মৃত্যুর ঘটনার জন্য দায়ী করতে চান চিকিৎসকদের ... কিন্তু বিক্ষুদ্ধ ছাত্রদের এই তুলকালাম ঘটনার দায় কে নিবে...?      

অথচ অসমর্থিত খবরে জানা যাইতেছে--  বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিচ্ছিন্ন ভাবে একজন জুনিয়র চিকিৎসককে টার্গেট কইরা আইসিটি আইনে মামলা করতে চান। এই জুনিয়র ডাক্তারের অপরাধ উনি-- সেন্ট্রাল হাসপাতালের এই ঘটনা নিয়া চিকিৎসক সমাজের যে বক্তব্য, সেইটা একজন ডাক্তার হিসাবে উনি শেয়ার দিছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই চিন্তা ভাবনা ভয়ংকর এবং একই সাথে নির্বোধ। এই নির্বুদ্ধিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখ পুড়বে।  

সম্পাদক: আবু মুস্তাফিজ

৩/১৯, ব্লক-বি, হুমায়ুন রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা